কক্সবাজার হোটেল শৈবাল বার থেকে একটন বিদেশী মদ উদ্ধার


নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
কক্সবাজার হোটেল শৈবাল থেকে বিদেশী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রায় একটন মদ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার রাত ১১ টায় হোটেলের অদুরে পর্যটন গলফ বার সংলগ্ন সেমিপাকা ঘর থেকে এসব মদ উদ্ধার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ ঘটনায় বারের সহকারী ম্যানেজার আবদুল আলীমকে আসামী করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হোটেল শৈবাল সংলগ্ন বারে বিপুল পরিমান অবৈধ বিদেশী মদ মজুদ আছে মর্মে গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ পরিচালক শওকত ইসলাম, সহকারী পরিচালক জিল্লুর রহমান ও তত্বাবধায়ক ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বাধীন ফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় উপরোক্ত স্থান থেকে ভোদকা ৭১ কেস, হুইস্কি ১৩৬ বোতল, ব্ল্যাক লেভেল ১৬০ ক্যান, ব্ল্যাক রাম ২৪ ক্যান, ড্রাই জিন ৫ বোতল, বিভিন্ন প্রকার ওয়াইন ২৮ বোতল ও ব্লু মাউন্টেন ২৬ বোতল জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মদের মোট পরিমান ৯৭৪ লিটার বলে জানা গেছে। সদর মডেল থানার এস আই মনির হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুলিশ ফোর্স অভিযানে সহায়তা করেন।
মদ উদ্ধারের এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক জীবন বড়ুয়া বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মাদক মামলা দায়ের করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, উদ্ধার কৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য থাকলেও মামলার এজাহারে সঠিক পরিমান উল্লেখ হয়নি। এব্যাপারে উপর মহলের হস্থক্ষেপ আছে বলেও জানা গেছে। মুলতঃ থার্টিফাস্ট নাইটকে টার্গেট করে এ বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য মজুদ করা হয়েছিলো বলে একটি সুত্র দাবী করে। এবং এ বারের সাথে ক্ষমতাসীন দল সহ উচ্চতর জনপ্রতিনিধি ও আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যাসায়ীদের জড়িত থাকার কথা উঠে এসেছে।
এদিকে সচেতন মহলের প্রশ্ন, চট্টগ্রাম থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কাছে গোপন সুত্রে এত মাদক মজুদের খবর থাকলেও কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে নেই কেন? দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ আছে, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক ধনঞ্জয় দেবনাথ‘র প্রত্যক্ষ সহযোগিতা আর মাসিক মাসোহারা আদায় কি এর কারন ? বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দেখা অতিব জরুরী বলে মনে করেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক বাবু রঞ্জিত কুমার কক্সবাজার ৭১ কে বলেন, এ বিষয়ে তাঁর মন্তব্য নিঃপ্রয়োজন।

Share on Google Plus

About Iqbal Bahar

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment