‘আমরা সব সময় নির্বাচনে বিশ্বাসী’ -প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় এসে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন শুরু করি। জনগণের জীবনমান যেন উন্নত হয়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করি। সে কাজের সুফল এখন মানুষ পাচ্ছে। দেশে এখন খাদ্যের অভাবে হাহাকার নাই। একসময়ে মঙ্গাপীড়িত এলাকায় মঙ্গা নাই, দূর্ভিক্ষ নাই। মানুষ পেট ভরে খেতে পারে। বেকারত্বের হার কমে গেছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে। শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এসময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরও বলেন, জনগণ ভোটের মালিক। তারা ভোট দেবে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী। আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো-এই সেøাগান আমরা শুরু করেছি। আমরা সবসময় নির্বাচনে বিশ্বাসী। নির্বাচন চেয়েছি। তিনি বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে হারানো হয়েছিলো। দেশকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছিলো। ২০০৯ সালে আমরা আবার ক্ষমতায় এসে এ দেশের উন্নয়নে কাজ শুরু করি। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে উন্নয়নের ধারা ব্যাহত হয়। দেশের মানুষের যে উন্নতি হওয়ার কথা ছিল সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। একই সঙ্গে রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের সহায়তায় এলিট শ্রেণি গড়ে ওঠে। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় ক্ষমতা দখরকারীরা ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা চালায়। তিনি বলেন, দখলকারীরা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য রাজপথে আন্দোলন করা আওয়ামী লীগ ও দলটির অনুসারিদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন চালায়। তাই অতীত থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। কারণ অতীতের শিক্ষা ছাড়া ভবিষ্যতের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। আর অত্যাচারের কথাও মনে রাখতে হবে। এসময় শেখ হাসিনা বন্যা দূর্গতদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বন্যা দূর্গত এলাকার জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে।
Share on Google Plus

About বাংলা খবর

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment