চকরিয়ায় অপহরণকারীকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ



স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরীঃ চকরিয়া থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক সুকান্ত কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও অপহরন কারীকে আটকের পর মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অপহরনকারীকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ভিকটিমের পরিবার। জানা যায় গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত ১০ ঘটিকার সময় কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আবুল খায়েরের কন্যা ঝুমকি নামের এক মেয়েকে অপহরণ করেন একই এলাকার গিয়াস উদ্দীনের পুত্র রুহুল কাদের প্রকাশ(রানা পুতু) রাতের আঁধারে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যাই। তাৎক্ষণিক মেয়ে পক্ষের লোকজন থানা পুলিশকে অবহিত করলে এস আই সুকান্ত সঙ্গীয় এস আই আব্দুল খালেক সহ ফোর্স নিয়ে ইসলাম নগর রানা পুতুর এক আতœীয়ের বাড়ি থেকে রাত ১:৩০ মিনিটের সময় ঝুমকিকে উদ্ধার করে এবং অপহরনকারী রুহুল কাদের প্রকাশ(রানা পুতু) সহ দুজনকেই থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন। কিন্তু তৎমধ্য অপহরণকারী রানাপুতু ও এস আই সুকান্তের গাড়িবহর গন্তব্যস্থান থানা পর্যন্ত পৌছাতে হিসাব নিকাশ মিল হয়ে যায়। এতেই কেল্লাফতে, অপহরনকারী অপরাধী গেল বাড়িতে, ভিকটিম গেল থানা হেফাজতে। মুঠোফোনের মাধ্যমে এমনই জানালেন , ভিকটিমের মেঝ বোনের জামাই শাখাওয়াত হোসেন শিপু । তিনি আরো বলেন, মোটা অংকের মাধ্যমে অপহরণকারী রানা পুতুকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিতকরণের লক্ষে এস আই সুকান্ত (০১৮১৮১২৫২৭৩) ৫:৯ মিনিটের সময় মোবাইলে জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং এত রাত্রে কেন কল দিয়েছেন বলে সংযোগটি কেটে দেন।
ভিকটিমের বড় বোনের জামাই মাষ্টার নোমান এ প্রতিবেদক কে জানান,অপহরণকারী রানা পুতুকে ছেড়ে দেওয়ার পর এস আই সুকান্ত আমাকে ডেকে বলেন অপহরণকারী রানা পুতুর বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনানুগ ব্যাবস্থা নিবেন না বলে মূচলেখা দিয়ে আপনার শালীকে নিয়ে যান। প্রতিউত্তরে নোমান বলেন আমার শালীকে আদালতে পাটিয়ে দেন,আদালতে জবানবন্দি পেশ করার পরে বাড়িতে নেব তার আগে না। ধমকের সহিত এস আই সুকান্ত বলেন বাড়াবাড়ি বেশি করার চেষ্টা করবেন না। নিরূপায় হয়ে নোমান বলেন এডভোকেটের সহিত পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত আপনাকে জানাব বলে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভিকটিম থানা হাজতে ছিলো ।
Share on Google Plus

About Iqbal Bahar

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment