চকরিয়ার বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর একি কান্ড ?

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
চকরিয়ার বদরখালীর প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। লিখিত অভিযোগ করার পরও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা বলে জানান এলাকাবাসী। জানা যায়। অভিযোগের সুত্রে জানা যায়, বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সেতারা পারভীন উক্ত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাস্টার আবুল হাশেমের স্ত্রী হওয়ার সুবাদে বিদ্যালয়ের সরকারী প্রদত্ত স্লিপের টাকা , সজ্জিত করনের টাকা, প্রাক প্রাথমিকের সরাঞ্জামের টাকা সহ বিদ্যালয়ের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত কারার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এমন অভিযোগ উঠে দীর্ঘদিন ধরে। স্থানিয় সংবাদ মাধ্যমে অনেক সময় লেখা লেখির পরও বর্তমান উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার সহযোগিতায় তার কোন কিছুই হয়নি, বরং স্বামী-স্ত্রীর ব্যবসা প্রতিষ্টানে পরিনত হয়েছে এমন অভিযোগ স্থানিয়দের। গত ১৯/১২/২০১৬ ইংরেজী তারিখ স্থানিয় কিছু ব্যাক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে প্রেরন করেন। বিষয়টি এ প্রতিবেদকের গোচরে আসলে সরেজমিনে বদরখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার সত্যতা যাছাইয়ের জন্য গেলে প্রধান শিক্ষিকা (ভারপ্রাপ্ত) সেতারা পারভীন সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে স্কুল ছেড়ে কোথায় চলে যায়। এ প্রতিবেদক দুপুর ১২ ঘটিকা থেকে দীর্ঘ একঘন্টা শিক্ষক ছাত্র ও উপস্থিত অভিভাবকদের সাথে কথা বলার পর ও প্রধান শিক্ষক স্কুলে না আসায় তাকে তার মুটো ফোনে ফোন করলে তিনি কাজে বাইরে গেছে বলে জানান , এবং অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সে কিছু জানেনা বলে জবাব দেন। সাথে সাথে বিষয়টি চকরিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আলম কে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত প্রধান শিক্ষিকা সাংবাদিকদের ফোনে জানান সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আলম সাংবাদিকদের পাত্তা না দেয়ার জন্য তাকে বলে দিয়েছে। স্থানিয় ছাত্র অভিভাবক কাদের বলেন, উক্ত প্রধান শিক্ষক এক নাগাড়ে ১৫/১৬ বছর এ বিদ্যালয়ে চাকরী করছে। তাকে বদলী করে মাস্টার হাশেম কে সভাপতি থেকে বাদ দিয়ে সুষ্ট তদন্ত করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিলে আর কেউ বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের সাহস পেত না। ছাত্র অভিভাবক সালাম বলেন , সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের পাত্তা না দেওয়ার জন্য বলায় প্রতিয়মান হয় তিনিও এ শিক্শিকার সাথে জড়িত আছে। সাংবাদিকদের পাত্তা না দেওয়ার কথা বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আলম’র সাথে যোগা যোগ করলে তিনি এ কথা বলেনি বলে জানান। এবং প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ হয়েছে বলে স্বীকার করেন। তদন্ত পুর্বক যথাযত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদ আলম চৌধুরী এর নিকট গতকাল তার মুটোফোনে ফোন দিলে তিনি ফোন কেটে দেওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলামের সাথে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তা বরা বরে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে , তার রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কোন বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
বদরখালী এলাকার সাধারন ও সচেতন মানুষ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেতারা পারভীনকে বদলী করে নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাহার বিরুদ্ধে প্রয়োজনিয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।  

Share on Google Plus

About Iqbal Bahar

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment