শীতে শিশুর নাক বন্ধ ও শ্বাসকষ্ট

শীতকালের একটি সাধারণ সমস্য হলো নাক বন্ধ থাকা। এসময় অনেকের ঠাণ্ডার কারণে নাক বন্ধ হয়ে যায়। আর নাক বন্ধ থাকলে শিশুর নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে, সে ঘুমাতে পারে না কান্নাকাটি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বলতে নাকের ভিতরের অংশ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে বোঝায়।
সাধারণত রক্তনালীর ইনফ্লামেশন বা প্রদাহের জন্য নাকের ভিতরের আবরণ সৃষ্টিকারী ঝিল্লির ফুলে ওঠার কারণে এ সমস্যা হয়ে থাকে।এ সমস্যার সঙ্গে সর্দি দেখা দিতে পারে, আবার সর্দি নাও থাকতে পারে। নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া শিশুদের জন্য গুরুতর হতে পারে। তাদের শ্বাসকষ্টও  দেখা দিতে পারে। এছাড়া সর্দি কাশি, ক্রনিক সাইনুসাইটিস, অ্যালার্জি, ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ, অ্যাজমা, অ্যাকিউট সাইনুসাইটিসের কারণে নাক বন্ধ হয়। এ সমস্যাটি তীব্র হলে অ্যালার্জির ওষুধ খেতে হয়, নইলে চিকিৎসকের বাড়ি দৌড়াতে হয়। তবে সমস্যা গুরুতর না হলে ঘরে বসে এর সমধানের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :
* শিশুকে গরম পানির ভাপ দেয়া যেতে পারে। গরম পানিতে তুলসী পাতা ফুটিয়ে ভাপ নিলে বন্ধ নাক খুলে যাবে এবং মাথার ব্যথাও সেরে যাবে।
* শিশুকে হালকা গরম পানিতে গোসল দিন। যদি কোনো অসুবিধা না থাকে তাহলে মাথায় ঠাণ্ডা পানি দেয়াই ভালো। এতে বন্ধ নাক খুলে যাবে।
* ঘুমাতে যাওয়ার সময় নাক বন্ধ হলে বালিশের ওপর মাথা রেখে শিশুকে ঘুমাতে দিন। এতে ঘুমটা আরামের হবে ও নাক খুলে যাবে।
* বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহারের অভ্যাস গড়েত হবে। এতে নাকে-মুখে ধুলা, ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকতে পারবে না। কারণ অ্যালার্জি থাকলে নাকে-মুখে ধুলা ঢুকে নাক বন্ধ হয়ে যাবে এবং শিশুর শ্বাসকষ্টেরও আশংকা দেখা দিতে পারে।
* বড়রা ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ হলে আদা চা, মেন্থল চা অথবা গরম স্যুপ খেতে পারেন। এতে আপনার গলা এবং নাক পরিষ্কার হবে। এতে আপনার গলা ব্যথাও কমে যাবে।
Share on Google Plus

About Sadia Afroza

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment