Thursday, December 27, 2018

চট্টগ্রাম ১০ আসনের প্রার্থীর বিশাল গনসংযোগ


 ফুয়াদ মোহাম্মদ সবুজ, স্পেসাল করসপোন্ডেন্ট:
নির্বাচনী আমেজে নৌকাকে বিজয়ের লক্ষ্যে বিশাল বিশাল গনসংযোগ, পথসভা, সহ গনমিছিল করছেন আ.লীগ সর্বস্তরের প্রার্থী ও দলের নেতা কর্মীরা সেই সুবাধে চট্টগ্রাম ১০ সংসদীয় আসনের নৌকা প্রার্থী ড. আফছারুল আমীনের প্রচার প্রচারনা ও গনসংযোগ সহ কোন কিছুতে পিছিয়ে নেই, আজ ২৭ ই ডিসেম্বর বিকাল সাড়ে তিনটাই চট্টগ্রাম ১০ সংসদীয় আসনের প্রার্থী ড.আফছারুল আমিনের সমর্থনে চট্টগ্রাম মহানগরীর শুলকবহর ৮ নং ও ৪২ ওয়ার্ড আ.লীগ, যুবলীগের উদ্যোগে বের হয় একটি বিশাল গনসংযোগ, সাংগঠনিয় সকল নারী পুরুষ সহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেছে গনসংযোগটিতে। নগরীর ২নং গেইট কর্ণফুলী মার্কেট থেকে শুরু হয়ে বিপ্লবী উদ্যান, ষোলশহর, টেকনিক্যাল, সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নাসিরাবাদ বেবি সুপার মার্কেট ৪২নং ওয়ার্ডস্থ ক্যাম্পে এসে শেষ হয় গনসংযোগটি, গনসংযোগ শেষে সময় বাংলা টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আতিকুর রহমান সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কর্ম কান্ডের কথা এবং নির্বাচনী বিজয়ের কথা তুলে ধরেন। এতে আরো সাক্ষাতকার দেন ৮নং ওয়ার্ড শুলকবহর ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ সরওয়ার্দী, এবং নাসিরাবাদ ৪২নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব আলী আকবার। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, শুলকবহর ৮নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আবুল বশর, ষোলশহর শ্রমিকলীগের সভাপতি, বিমল চন্দ্র বড়ুয়া, ষোলশহর মহল্লা কমিটির সভাপতি ড.স্বাধন চন্দ্র নাথ, মোহাম্মদ হাসান, নজরুল ইসলাম, আবু তাহের, উৎপল দাশ, আফতাব উদ্দিন, এনামুল হক (এনাম), ও আজিজুল হক (সোহাগ) এবং সুমন সহ আরো অনেকে

Sunday, December 16, 2018

সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক টিভি খবর থেকে বহিষ্কার!


প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
 দেশের স্বনামধন্য মিডিয়া ডিএসটিভিতে শুরু থেকে প্রতিটি জেলায় দক্ষ ও সৎ সাহসী সাংবাদিক নিয়োগ প্রধান করি। সেই সুবাদে চট্টগ্রাম কক্সবাজার থেকে আব্দুর রাজ্জাক কে মৌখিক ভাবে নিয়োগ ও তাকে সবার কাছে তুলে ধরার জন্য অনেক বার ভিডিও চ্যানেলে তার জীবনি তুলে ধরে এবং তাকে ভালো কাজ করার জন্য এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ধরে রাখার জন্য দায়িত্বশীল কাজে সহযোগীতা করার আহবান জানান। কিন্তু সেই সুবাদে কর্তৃপক্ষের অজান্তেই চট্টগ্রাম সহ কক্সবাজার, টেকনাফের অনেক নিরহ লোকজন কে সাংবাদিকতার কার্ড দিবে বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। যা ডিএসটিভি খবর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর হয় ও প্রতারনার শিকার হওয়া অনেকে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান। এই দিকে আব্দুর রাজ্জাক বিভিন্ন সময় তার ফেসবুক পোষ্টে কিছু কুরুচিপূর্ণ এবং আইন ভঙ্গ করে একটি প্রতিষ্ঠানে সুনাম ক্ষুন্ন করে যাচ্ছে। তার সাথে ডিএসটিভি খবর কর্তৃপক্ষের সাথে  কোন ডিট করা হয়নি। তার কাছে যদি ডিটের কোন কাগজ থাকে তাহলে অব্যশই তিনি অফিস যোগাযোগ করতেন। তার কাছে উপরোক্ত কোন প্রমাণ না থাকায় সে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। এবং তাকে এর আগেও কক্সবাজারের একটি নিউজ পোর্টালের মালিক অসৎ ভাবে টাকা উপার্জন করার দায়ে আব্দুর রাজ্জাক কে বহিষ্কার করেন। এবং রাজ্জাকের অহেতুক লোভ লালসার শিকার হয়ে হীন মনতার কাজে লাগিয়ে নিজেকে একজন সৎ সাংবাদিক দাবী করলেও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া যাই কক্সবাজার ও মহেশখালী থানায়।তাই  ডিএসটিভির চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা সহ সকল কে নিয়ে আলোচনায় বসে তাকে মৌখিক ভাবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে তাকে ডিএসটিভি খবর থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় । কিছু দিনের মাঝে আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে জানান ডিএসটিভি খবরের চেয়ারম্যান সানজিদা আকতার।

Saturday, December 15, 2018

ড. আফছারুল আমীনের ব্যাপক প্রচারনার সরগরম, প্রচারনার ব্যস্ততায় আবুল বশর


 ফুয়াদ মোহাম্মাদ সবুজ, চট্টগ্রাম সংবাদদাতাঃ
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের অধিকাংশ প্রার্থীই গত ১১ই ডিসেম্বর মঙ্গলবার তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। মিছিল, সমাবেশ, মাইকিং, পোস্টার ঝোলানোসহ নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল গত ১১ই ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে নগরীর হজরত আমানত শাহ মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় নওফেলের সঙ্গে ছিলেন সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আওয়ামী লীগ নেতা মশিউর রহমান চৌধুরী, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, কাউন্সিলর তারেক সোলেমান সেলিম, হাসান মুরাদ বিপ্লব ও শুলকবহর ৮নং ওয়ার্ড়ের যুবলীগের সভাপতি আবুল বশর সহ আরো অনেক নেতাকর্মীরা। মাজার জিয়ারত শেষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক মেয়র প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে নওফেল নগরীর কেসি দে রোডে তার নির্বাচনী কার্যালয়ে যান। এরপর বক্সিরহাট ওয়ার্ড, পাথরঘাটা ওয়ার্ড এলাকায় প্রচারণা চালান তিনি। এ সময় নাগরিক সমস্যা সমাধানে অবদান রাখার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছি। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের নাগরিক সমস্যা সমাধানে অবদান রাখতে চাই। সরকারের নেয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কারণে ভোটাররা নৌকার প্রার্থীকেই ভোট দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) আসনে নৌকার প্রার্থী ডা. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের প্রার্থী এমএ লতিফ গতকাল নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা চালান। এদিকে  চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী ড. আফছারুল আমীনের হয়ে ব্যাপক প্রচারনা চালাচ্ছেন শুলকবহর ৮ নং ওয়ার্ড়ের যুবলীগে কমিটির কর্মীরা, ওয়ার্ড়ের সভাপতি আবুল বশর বলেন নৌকাকে বিজয়ের লক্ষে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আমাদের এই প্রচারনা চলবে, পরিসংখ্যান বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন অত্র এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষেরও অধিক, এখানকার অধিকাংশ ভোটারই আওয়ামীলীগ সমর্থিত, সেই অনুপাতে বলা যায় এই কেন্দ্রে বিজয় সুনিশ্চিত, তার ন্যায় বর্তমান সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় হিসেব করলে বিজয় সুনিশ্চিত রয়েছে নৌকার।

Thursday, December 13, 2018

কক্সবাজারে বিজয় দিবস উপলক্ষে পর্যটন স্পট পরিদর্শন করেন সিনিয়র নির্বাহি ম্যাজিষ্টেট


ওসমান গনি ইলি, কক্সবাজার: 
আগামী ১৬ ই ডিসেম্বর উপলক্ষে কক্সবাজার দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করেন সিনিয়র নিবার্হী মিনিস্টার মনিরুল রহমান,সহকারি নিবার্হী মিনিস্টার সাইফুল ইসলাম জয়, সহকারি নিবার্হী মিনিস্টার প্রিয়াঙ্কা। আজ ১৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর কলাতলী সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে পরিদর্শন শুরু করেন। এ সময় পরিদর্শন বিভিন্ন স্পট । বীচ কর্মী ইনর্চাজ বেলাল উদ্দিন সহ পরিছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন আগামী ১৬ ই ডিসেম্বর উপলক্ষে পর্যটনের আনাগোনা হবে । এ সময় কোন পর্যটকের হয়রানির শিকার বা ছিনতাইকারীর খপ্পরে যাতে না পরে সেদিকে কঠোর নজরদারিতে রাখতে হবে। সব সময় পরিষ্কার পরিছন্নতা রাখার জন্য দিক নিদের্শনা দেন। এ সময় বিভিন্ন বীচ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিতি ছিলেন।

Monday, December 3, 2018

কক্সবাজার জেলার চার আসনে বাতিল হলো ৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র

 
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, 
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরীঃ
সব জল্পনা কল্পনা আর অনেকটা নাটকিয় ভাবে বাছাইপর্ব শেষ হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র। হ্যাভিওয়েট প্রার্থীরা টিকে থাকলো। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল মোতাবেক কক্সবাজারের চারটি আসনে তিন নারী সহ ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেন। আর গতকাল ছিল মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের দিন। বাছাইয়ে কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে ৩৪ প্রার্থীর মধ্য থেকে জাতীয় পার্টির একজনসহ ৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। হলফনামায় মিথ্যা তথ্য, কর ফাঁকি, স্বাক্ষর জালিয়াতি, সম্পদের পূর্ণাঙ্গ বিবরণী না দেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোহিবুল¬াহর বিরুদ্ধে। তিনি নিজের টিআইএন থাকা সত্ত্বেও আয়কর বিবরণী দাখিল করেননি। অংশীদারী ফার্ম ডক্টরস চেম্বারের টিআইএন ব্যবহার করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলেন সহকারী কর কমিশনার নিপু চন্দ্র দে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সুত্র মতে, আয়কর ফাঁকি ও সম্পদের বিবরণী জমা না দেয়ায় কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোহিবুল¬াহ, ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে জালিয়াতির অভিযোগে মহেশখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক, অসম্পূর্ণ আবেদনের কারণে কক্সবাজার-৩ (সদর- রামু) আসনে কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের সাথে সংসদীয় এলাকার মোট ভোটার সংখ্যার ১% ভোটারের সম্মতিসূচক স্বাক্ষর নিয়ে মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করতে হয়। কিন্তু কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী পালংখালী ইউপি চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী মনোনয়নপত্রে ভোটারদের এরকম কোন স্বাক্ষর নেননি। সে কারণে মনোনয়নপত্রটি রিটার্নিং অফিসার মোঃ কামাল হোসেন সরাসরি বাতিল ঘোষণা করেন।  তবে, এ সময় কোন প্রার্থীই উপস্থিত ছিলেন না। রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ে ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মাসুদুর রহমান মোল¬া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আশরাফুল আবসার, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বশির আহমদ, সদর নির্বাচন অফিসার শিমুল শর্মা। এছাড়া সংশি¬ষ্ট বিভাগের প্রতিনিধি, কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। গতকাল রোববার সকাল ১০ টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত কক্সবাজার হিল ডাউন সার্কিট হাউজ-এর সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলে। তবে, কক্সবাজার সদর আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলসহ চারজনের মনোনয়নপত্র সন্ধ্যায় আলাদা শুনানী করে বৈধতা দেন রিটার্নিং অফিসার। বিষয়টি নিয়ে পুরো দিন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মাঝে বেশ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে। চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর টিকে থাকা ৩০ প্রার্থী এখন মুল প্রতিদন্দ্বীতায় টিকে থাকলো। যদিও আগামী ৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর সেদিনই জানা যাবে মুলত নির্বাচন কে কোন দল ও কোন জোট থেকে নির্বাচন করছে? 
জানা গেছে, কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের বৈধতার ব্যাপারে একই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার কমল ও তার লিগ্যাল এডভাইজার এডভোকেট ফরিদুল আলম মনোনয়নপত্র বাছাই চলাকালে লুৎফুর রহমান কাজলের আয়কর প্রদান সংক্রান্ত একটি অভিযোগ উঠান। তখন রিটার্নিং অফিসার মো. কামাল হোসেন বিএনপি’র প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের মনোনয়নপত্রের বৈধতার বিষয়ে আরও যাচাই-বাছাই করে বিকেলের দিকে সিদ্বান্ত দেওয়া হয়।
এদিকে, লুৎফুর রহমান কাজলের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইমুম সরওয়ার কমলের সমর্থিত লোকজন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় প্রাঙ্গনে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
কাজলের মনোনয়ন ফরম বাতিল করতে রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীরা নানা শে¬াগান তুলে। যদিওবা এই কর্মসূচিকে ভালোভাবে নেয়নি রাজনৈতিক বোদ্ধারা। এ সময় অনেককে বলতে শুনা গেছে, এটি প্রশাসনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার চক্রান্তের অংশ বিশেষ। নির্বাচন কমিশনের আদেশ মতে, বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেউ প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে চাইলে আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন। এ পর্বের পর ১০ ডিসেম্বর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রতীক বরাদ্দের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীরা প্রচার চালাতে পারবেন। গত ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৮ নভেম্বর মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন ছিল। সব ঠিকঠাক থাকলে ভোটগ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর। কক্সবাজার জেলার ৪টি পৌরসভা ও ৭১ ইউনিয়নের ৫১২ ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪ জন। সেখানে ৭ লাখ ৭ হাজার ৮৩১ জন পুরুষ এবং ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৩ জন মহিলা। ভোট কক্ষের সংখ্যা ২ হাজার ৭৩৮টি।
কক্সবাজার-১ আসনে (চকরিয়া-পেকুয়া) ৮ জন, কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনে ১২ জন, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনে ৬ জন এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে ৮জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেন।
নির্বাচন কমিশনের তাঙানো বৈধ প্রার্থীরা হলেন
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) :
এডভোকেট হাসিনা আহমেদ (বিএনপি), জাফর আলম (আওয়ামী লীগ), আলী আজগর (ইসলামী শাসনতন্ত্র), মুহাম্মদ ফয়সাল (এনডিএম), আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম (বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টি), বদিউল আলম (স্বতন্ত্র), তানিয়া আফরিন (স্বতন্ত্র) মৌলভী মো: ইলিয়াছ (জাতীয়পার্টি)।
চকরিয়া উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়ন এবং পেকুয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়েই কক্সবাজার-১ আসনটি গঠিত। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯০ হাজার ৬৮১ জন। ভোটকেন্দ্র সংখ্যা ১৩৯টি। চকরিয়া উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়নের ৯৯টি ভোট কেন্দ্রের বিপরীতে এক লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন পুরুষ ও এক লাখ ৩৫ হাজার ৬০৬ জন নারী মিলিয়ে ভোটার রয়েছে দুই লাখ ৮৪ হাজার ৪১১ জন। পেকুয়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৪০ ভোট কেন্দ্রের বিপরীতে ৫৫ হাজার ৬২০ জন পুরুষ ও ৫০ হাজার ৬৫০ নারীসহ ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৬ হাজার ২৭০ জন।
কক্সবাজার-২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) :
আশেক উল¬াহ রফিক (আওয়ামী লীগ), এএইচএম হামিদুর রহমান আজাদ (জামায়াত), জসীম উদ্দিন (ইসলামী শাসনতন্ত্র), আবু ইউসুফ মো: মনজুর আহমদ (ইসলামি ঐক্যফ্রন্ট), আলমগীর মো: মাহফুজ উল¬াহ (বিএনপি), শাহেদ সরওয়ার (বিকল্পধারা বাংলাদেশ), মো: শহিদুল¬াহ (এনডিএম), আনসারুল করিম, মো: জিয়াউর রহমান, এ এম মাসুদুল ইসলাম মাসুদ।
কুতুবদিয়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন এবং মহেশখালী উপজেলার একটি পৌরসভার ৮টি ইউনিয়ন নিয়েই কক্সবাজার-২ আসনটি গঠিত। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৬ হাজার ৮১ জন। ভোটকেন্দ্র সংখ্যা ১০৫টি।
কুতুবদিয়া উপজেলায় ৬ ইউনিয়নের ৩৭টি ভোট কেন্দ্রের বিপরীতে ৪৪ হাজার ২৩ জন পুরুষ ও ৪০হাজার ৪৪২ জন নারী মিলিয়ে ভোটার রয়েছে দুই লাখ ৮৪ হাজার ৪৬৫ জন।
মহেশখালী উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে ৬৮ ভোট কেন্দ্রের বিপরীতে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৯ জন পুরুষ ও ১ লাখ ১ হাজার ৬৬৭ নারীসহ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১১ হাজার ৬১৬ জন।
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) :
সাইমুম সরওয়ার কমল (আওয়ামীলীগ), লুৎফর রহমান কাজল (বিএনপি), মোহাম্মদ আমিন (ইসলামি শাসনতন্ত্র), মুফিজুর রহমান (জাতীয়পার্টি) ও মো: হাছন।
কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়েই কক্সবাজার-৩ আসনটি গঠিত। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৪ হাজার ৩৬ জন। ভোটকেন্দ্র সংখ্যা ১৬৮টি।
সদর উপজেলায় ১০৮টি ভোট কেন্দ্রের বিপরীতে এক লাখ ৩৫ হাজার ১৪ জন পুরুষ ও এক লাখ ২১ হাজার ৪ জন নারী মিলিয়ে ভোটার রয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার ১৮ জন।
রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৬১ ভোট কেন্দ্রের বিপরীতে ৮১ হাজার ৪১০ জন পুরুষ ও ৭৬ হাজার ৬০৮ নারীসহ ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৫৮ হাজার ১৮ জন।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) :
শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি), শাহীন আক্তার (আওয়ামী লীগ), সাইফুদ্দিন খালেদ (এনডিএম), মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (বিএনপি) ,আবুল মনজুর,  মোহাম্মদ শোয়াইব।
উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন এবং টেকনাফ উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়েই কক্সবাজার-৪ আসনটি গঠিত। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪০৬ জন। ভোটকেন্দ্র সংখ্যা ১০০টি।